উকুন দূর করার উপায়
- This topic has 2 replies, 1 voice, and was last updated 2 hours, 29 minutes ago by
SkyFly.
-
AuthorPosts
-
উকুন হচ্ছে একটি বিরক্তিকর সমস্যা। মাথায় উকুন হলে যখন তখন চুলকায়, অস্বস্তি লাগে। পুরুষের তুলনায় নারীর চুলের ভাঁজে উকুন বেশি দেখা যায়।
How to get rid of lice
[caption id="attachment_25198" align="aligncenter" width="800"]
উকুন দূর করার উপায়[/caption]চুলের যত্ন নিয়ে, উকুননাশক সাবান, শ্যাম্পু ব্যবহার করেও অনেক সময় উকুনের সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায় না।তাই জেনে নিন উকুন তাড়ানোর সহজ কিছু পদ্ধতি।
উকুন তাড়ানোর কিছু সহজ উপায়
নিমপাতাঃ
নিমপাতা প্রাকৃতিক উপায়ে রোগ চিকিৎসা, ইউনানি, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। বহুগুণের এই নিমে আছে- অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিভাইরাস, এনালেজিক, অ্যান্টিপাইরেটিক, অ্যান্টিসেপ্টিক, অ্যান্টিমাইক্রবাল, অ্যান্টিডায়াবেটিক, অ্যান্টিফাঙ্গাল এবং রক্ত বিশুদ্ধকরণ উপাদান। উকুন তাড়াতে ব্যবহার করতে পারেন নিমপাতা।লেবুর রসঃ
লেবু প্রাকৃতিক জীবাণুনাশক, যা উকুন দূর করবে। লেবুর রস বের করে তা সরাসরি মাথায় লাগান। এটি এক ঘণ্টা লাগিয়ে রাখুন। এর পর চিরুনির সাহায্যে উকুন দূর করুন। এ পদ্ধতিটি সপ্তাহে দুবার ব্যবহার করুন।পেঁয়াজের রসঃ
উকুন তাড়াতে পেঁয়াজের রস ব্যবহার করতে পারেন। পেঁয়াজের রস মাথায় লাগিয়ে ভালো করে ম্যাসাজ করুন। চুলের গোড়ায় ভালোভাবে লাগাবেন। কিছুক্ষণ চুল ঢেকে রেখে তার পর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। পরে চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে নিন এবং উকুন দূর করুন। সপ্তাহে দুবার এটি ব্যবহার করুন।রসুন বাটাঃ
১০ কোয়া রসুন নিন। ভালো করে খোসা ছাড়িয়ে বেটে নিন। এর সঙ্গে ২ চা চামচ লেবুর রস মেশান। পেস্টের মতো তৈরি করে মাথার ত্বকে ভালো করে ঘষে লাগিয়ে নিন। চুলের গোড়ার কোনো অংশ যেন বাদ না যায়! এভাবে ৩০ মিনিট পেস্টটি চুলে লাগিয়ে রাখুন। এর পর হালকা গরম পানিতে চুল ধুয়ে নিন। সপ্তাহে তিন দিন এই পদ্ধতিটি কাজে লাগালে উকুনের সমস্যা খুব দ্রুত দূর হয়ে যাবে।লবণ ও ভিনেগারের পেস্টঃ
এক কাপের চার ভাগের এক ভাগ লবণ ও ভিনেগার নিন। লবণ ও ভিনেগারের পেস্ট তৈরি করে এটি মাথায় লাগান। এবার শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন। দুই ঘণ্টা এভাবে রেখে দিন। এর পর চুলে শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।উকুন নিয়ন্ত্রনের ঘরোয়া পদ্ধতি
১। চুলের উকুন সহজ উপায়ে দূর করার একটি উপায় হলো ভেজা চুল আঁচড়ানো। মাথার চুল ভেজা অবস্থায় উকুন দ্রুত নড়াচড়া করতে পারে না। ওই সময় চিকন দাঁতের চিরুনি দিয়ে চুল দুইভাগ করে আঁচড়ালে সহজেই উকুন বেরিয়ে আসে।
২। চুলে উকুন ঝুলে থাকে। কখনও মাথার ত্বকে এসে রক্ত শুষে নেয়। তাই উকুনকে কাবু করতে চেষ্টা করুন মাথায় তেল দিতে। তবে নারিকেল তেলের পরিবর্তে যদি নিম তেল ব্যবহার করেন এক্ষেত্রে দ্রুত উপকার পাবেন। চুল তেলতেলে থাকলে উকুন নড়াচড়া করতে পারে না। ওই সময় চিকন দাঁতের চিরুনি দিয়ে চুল আচড়ালে চিরুনিতে উকুন আটকে যায়।
উপরের নিয়মগুলো অনুসরন করার পাশাপাশি চেষ্টা করুন সব সময় চুল ও মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখতে। কেননা অপরিষ্কার মাথার ত্বকেই উকুন দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সুযোগ পায়।
উকুন দূর করার শ্যাম্পু বা লোশন
মাথার উকুন দূর করার জন্য মেডিকেটেড শ্যাম্পু বা লোশন ব্যবহার করা সবচেয়ে কার্যকর। পাশাপাশি নিয়মিত মিহি চিরুনি বা উকুননাশক চিরুনি দিয়ে ভেজা চুল আঁচড়ানো, নিম পাতার রস বা তেল ব্যবহার এবং বিছানার চাদর ও ব্যবহারের চিরুনি গরম পানিতে ধুয়ে জীবাণুমুক্ত করলে খুব দ্রুত উকুন ও ডিম বা লার্ভা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
উকুন দূর করার উপায়
মাথার উকুন দূর করার কার্যকর ঘরোয়া উপায়ের মধ্যে রয়েছে নিম পাতার রস বা তেল ব্যবহার করা, পেঁয়াজের রস, এবং অলিভ অয়েল মেখে সূক্ষ্ম দাঁতের চিরুনি বা উকুন ছাঁটার চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ানো। এ ছাড়া বিছানার চাদর ও তোয়ালে গরম পানিতে ধুতে হবে।ঘরোয়া উপায়গুলোনিম পাতা: নিম পাতা বেটে রস বা নিমের তেল মাথার ত্বকে ও চুলে ভালো করে লাগান। ২০ থেকে ৩০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে নিন।পেঁয়াজের রস: একটি বড় পেঁয়াজের রস বের করে সরাসরি মাথায় লাগান। এটি কিছুক্ষণ রেখে শ্যাম্পু করুন এবং চিরুনি দিয়ে মৃত উকুন ফেলে দিন।অলিভ অয়েল বা নারকেল তেল: চুলে প্রচুর পরিমাণে তেল বা অলিভ অয়েল লাগান। এটি উকুনের শ্বাসরুদ্ধ করতে সাহায্য করে।সুকোম্বিং বা চিরুনি ব্যবহার: চুল ভেজা অবস্থায় মিহি দাঁতের লোহা বা প্লাস্টিকের চিরুনি দিয়ে ভালো করে আঁচড়ান। এতে উকুন ও ডিম বা লিকি সহজে খসে পড়ে।গরম পানিতে পরিষ্কার: উকুনে আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত বালিশের কভার, বিছানার চাদর, তোয়ালে এবং চিরুনি গরম পানিতে ভালো করে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে নিন।
-
AuthorPosts
- You must be logged in to reply to this topic.