England vs India cricket
Here’s a comprehensive head-to-head overview of cricket statistics between England 🇬🇧 and India 🇮🇳 across Tests, One-Day Internationals (ODIs), and Twenty20 Internationals (T20Is) based on official match history and records:
🏏 Head-to-Head – All Formats
| Format | Matches Played | England Wins | India Wins | Draw/Tie/No Result |
|---|---|---|---|---|
| Tests | 141 | 53 | 37 | 51 draws |
| ODIs | 110 | 44 | 61 | 2 ties, 3 no results |
| T20Is | 24–29* | 11–12 | 13–17 | 0 ties/no result |
*Different sources vary slightly on the total number of T20Is played (24 vs 29), but the win–loss trend is consistent.
📊 Detailed Breakdown
🧑🏫 Test Matches
- Total played: 141
- England wins: 53
- India wins: 37
- Draws: 51
- First Test: 1932 (at Lord’s)
- Trend: England historically has more Test wins but India’s performance has improved, especially in recent series.
🟢 ODI Matches
- Total played: 110
- England wins: 44
- India wins: 61
- Tied: 2
- No Result: 3
- Recent engagements: India won the ODI series in early 2025 with solid batting performances.
🔥 T20 International Matches
- Approximate total: 24–29
- England wins: 11–12
- India wins: 13–17
- Trend: India holds a slight edge in head-to-head wins in the shortest format.
🏆 Key Points in the Rivalry
- Competitive rivalry: Both teams have experienced periods of dominance in different formats, making this one of modern cricket’s most compelling matchups.
- India strong in ODIs: India leads overall in ODIs, including in world tournaments.
- Tests favor England historically: England has more Test wins overall, but India has been more successful in certain home series.
- T20 matchups are close: India holds a slight advantage, though the results are competitive.
তীরে গিয়ে তরী ডুবাল ইংল্যান্ড। ১২০ বলে ২৫৪ রানের পাহাড় ডিঙ্গাতে নেমে মাত্র ৭ রানে হেরে যায় ব্রিটিশরা। এই পরাজয়ে ফাইনালের আগেই বিদায় নেয় ২০১০ ও ২০২২ সালের চ্যাম্পিয়নরা।
ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসরের ফাইনালে উঠে গেল ভারত। টু্র্নামেন্টে এনিয়ে চতুর্থবার ফাইনালে উঠল টিম ইন্ডিয়া। এর আগে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী আসর তথা ২০০৭ এবং সবশেষ আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। তৃতীয় শিরোপা জয়ে নিউজিল্যান্ডকে ফাইনালে পেল সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন ভারত।
আগামী রোববার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে ভারত।
বৃহস্পতিবার ভারতের মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড় স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ২৫৩ রান করে ভারত।
রানের পাহাড় ডিঙ্গাতে নেমে উড়ন্ত সূচনা পায়নি ইংল্যান্ড। ৬৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ইংল্যান্ড। এরপর ৯৫ রানে ব্রিটিশরা হারায় চতুর্থ উইকেট।
দলের এমন ব্যাটিং বিপর্যয়ে হাল ধরেন জ্যাকব ব্যাথেল। তিনি ইনিংসের শেষ ওভার পর্যন্ত দলকে জয় উপহার দিতে চেষ্টা করেন। কিন্তু তাকে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি সতীর্থ ব্যাটসম্যানরা। ৪৫ বলে ৮টি চার আর ৭টি ছক্কায় সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ব্যাথেল।
জয়ের জন্য শেষ ১২ বলে ইংল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল ৩৯ রান। হার্দিক পান্ডিয়ার প্রথম বলে ছক্কা হাঁকান ব্যাথেল। দ্বিতীয় বলে সিঙ্গেল রান নিয়ে প্রান্ত বদল করেন তিনি। তৃতীয় বলে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে সীমানায় ক্যাচ তুলে দিয়ে স্যাম কারান ফিরে গেলে ইংল্যান্ডের জয়ের স্বপ্ন ফিকে হয়ে যায়।
তবে সেঞ্চুরিয়ান ব্যাথেল এবং নতুন ব্যাটসম্যান জেমি ওভারটন চেষ্টা করে যান।
জয়ের জন্য শেষ ওভারে ইংল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল ৩০ রান। ইনিংসের শেষ ওভারে শিবম দুবের করা প্রথম বলে ডাবল রান নিতে গিয়ে রান আউট হন ব্যাথেল। তিনি ৪৮ বলে ১০৫ রান করে আউট হন। তার বিদায়ের মধ্য দিয়ে জয়ের শেষ আশাটুকুও শেষ হয়ে যায় ইংল্যান্ডের।
শেষ ৫ বলে প্রয়োজন ছিল ২৯ রান। জোফরা আর্চার শেষ তিন বলে ছক্কা হাঁকিয়ে পরাজয়ের ব্যবধান কমালেও দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছাতে পারেননি। অবিশ্বাস্য লড়াইয়ের পরও ৭ রানে হেরে যায় ইংল্যান্ড। ভারত চলে যায় ফাইনালে।
এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ওপেনার সাঞ্জু স্যামসন, শিবম দুবে, ইশান কিশান ও হার্দিক পান্ডিয়ার ব্যাটিং তাণ্ডবে রানের পাহাড় গড়ে ভারত।
দলের হয়ে ৪২ বলে ৮টি চার আর ৭টি ছক্কার সাহায্যে সর্বোচ্চ ৮৯ রান করেন সাঞ্জু স্যামসন। তিনি এর আগের ম্যাচে দলকে সেমিফাইনালে তুলে দিতে উইন্ডিজের বিপক্ষে ৫০ বলে ৯৭ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন। আজ মাত্র ২৫ বলে এক চার আর ৪টি ছক্কার সাহায্যে ৪৩ রান করে ফেরেন শিবম দুবে।
মাত্র ১৮ বলে চারটি চার আর দুটি ছক্কার সাহায্যে ৩৯ রান করেন ইশান কিশান। মাত্র ৭ বলে তিন ছক্কায় ২১ রান করেন তিলক ভার্মা।১২ বলে তিন চার আর দুটি ছক্কার সাহায্যে ২৭ রান করে ফেরেন হার্দিক পান্ডিয়া।