379 views

malaria symptoms – ম্যালেরিয়া রোগের লক্ষণ গুলি কি কি ?

Anonymous Answered question October 10, 2023
Write your answer.

2 Answers

Anonymous 0 Comments

সর্দি নিয়ে আসা জ্বর
ম্যালেরিয়া সংক্রমণের সবচেয়ে বিশিষ্ট লক্ষণ হল, হঠাৎ তীব্র ঠাণ্ডা কম্পন এবং তার কিছুক্ষণের মধ্যেই জ্বর। প্রায় চার-ছয় ঘণ্টা ধরে জ্বর থাকে, তারপর ঘাম নেমে আসে।

প্রতি দুই-তিন দিন ধরে জ্বর আসছে
অন্য ধরনের সংক্রমণ যাকে পি ফ্যালসিপেরাম বলে । এতে প্রাথমিকভাবে কম্পনের সাথে জ্বর আসে এবং ৩৬ থেকে ৪৮ ঘণ্টা অবধি জ্বর থাকে। লক্ষ্য করা গেছে, এই জ্বর প্রতি দু-তিন দিন পর পর ফিরে আসে।

তীব্র মাথাব্যথা সমেত জ্বর
ম্যালেরিয়ার কিছু গুরুতর লক্ষণ রয়েছে যার জন্য পি ফ্যালসিপেরাম একমাত্র দায়ী । ৬ থেকে ১৪ দিনের সংক্রমণ পর এটি ঘটে । এর ফলে প্লীহা এবং যকৃতের আকার বৃদ্ধি পায়, তীব্র মাথাব্যথা, রক্তে গ্লুকোজের অভাব ইত্যাদি লক্ষ্য করা যায়।

অবচেতন
তরুণ-তরুণী, শিশু ও গর্ভবতী মহিলাদের এই ম্যালেরিয়া হলে অবচেতন হয়ে যেতে পারে এমনকি মৃত্যুও হতে পারে।অনেক ক্ষেত্রে, কয়েক ঘন্টার মধ্যে মৃত্যু ঘটতে পারে । মহামারী এলাকায় মৃত্যুর হার বেশি হয়।

হাতে পায়ে খিঁচুনি
অনেক যুবক বা শিশুর সেরিব্রাল ম্যালেরিয়া হওয়ার সম্ভাবনা বেশি । এতে মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ কমে যায় । আরও বেশি প্রভাব পড়লে হাত-পায়ের মধ্যে একটা অদ্ভুত খিঁচুনি অনুভুত হয়। কিছু শিশুর মানসিক বিকাশ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

আরও কিছু লক্ষণ

অনেক সময় দেখা যায়, ধীরে ধীরে শরীরের ত্বক ঠান্ডা হতে শুরু করে জ্বরের জন্য।
ম্যালেরিয়া জ্বরের জন্য অনেক সময় মানুষ বমি করেন। মাঝেমধ্যে মাথা ভারী হয়ে যাচ্ছে বলে মনে হয়।
এর অন্যতম লক্ষণ হল চোখ লাল হয়ে যাওয়া এবং চোখে সামান্য জ্বালা অনুভব করা।
আপনি ক্লান্তি বোধ করতে পারেন। অনেক সময় এই ক্লান্তিতেও দুর্বলতা বাড়ে।
তীব্র মাথাব্যথা অনেক মানুষের মধ্যে দেখা যায়, যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পায় । এগুলো বমি বা ক্লান্তির কারণেও হতে পারে।
অনেক অল্পবয়সী ছেলেমেয়ে ডায়রিয়ার সমস্যা দেখা দেয়। কারণ শিশুদের ইমিউন সিস্টেম বা অনাক্রম্যতা দুর্বল হলে তারা বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ে।
এই লক্ষণগুলি লক্ষ্য করলে অবিলম্বে ডাক্তার দেখানো উচিত । উল্লেখ্য, সময়মতো হাসপাতালে গেলে আরাম পাবেন । কিন্তু দেরিতে হাসপাতালে গেলে আপনার অসুখের পাশাপাশি অস্বস্তি আরও বেড়ে যাবে।

careerbd Changed status to publish October 11, 2023
Anonymous 0 Comments

>> যেমন- রক্তশূন্যতা, কিডনি বৈকল্য, শ্বাসকষ্ট হওয়া, জন্ডিস, খিঁচুনি, রক্তে গ্লুকোজ কমে যাওয়ার লক্ষণ প্রকাশ পায়। জরুরি চিকিত্সা না পেলে এসব রোগী অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে, এমন কি মৃত্যুও হতে পারে।

রোগ নির্ণয় ও ম্যালেরিয়ার চিকিৎসা

ম্যালেরিয়া সন্দেহ হলে অবশ্যই আগে পরীক্ষা করাতে হবে। যদি ম্যালেরিয়া ধরা না পড়ে; তাহলে পরপর তিন দিন পরীক্ষাটি করতে হবে। যদি ম্যালেরিয়া শনাক্ত হয়; তাহলে দেরি না করে দ্রুত চিকিত্সকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে যা করবেন

>> ম্যালেরিয়া প্রতিরোধের জন্য এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো টিকা আবিষ্কৃত হয়নি। তবে এ রোগ সম্পূর্ণ প্রতিকার ও প্রতিরোধযোগ্য।

>> মশাবাহিত রোগ থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকতে হলে সচেতন থাকতে হবে। মশার কামড় থেকে দূরে থাকাই এ রোগ প্রতিরোধের উপায়।

>> এজন্য দিনে বা রাতে ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি বা কয়েল ব্যবহার করতে হবে।

>> দরজা-জানালায় জাল, প্রতিরোধক ক্রিম, স্প্রে ব্যবহার করুন।

>> ঘরের আশপাশে কোথাও যেন পানি জমে মশা বংশবিস্তার না করতে পারে; সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

>> এ ছাড়াও জলাবদ্ধ এলাকা নিয়মিত পরিষ্কার কররতে হবে। কারণ জমা পানিতে মশা ডিম পাড়ে বেশি।

>> মশাবহুল স্থানে কীটনাশক বা কেরোসিন ছিটিয়ে দিন।

>> ম্যালেরিয়াপ্রবণ এলাকায় ঘুরতে গেলে, চিকিত্সকের পরামর্শ মেনে ম্যালেরিয়া প্রতিরোধী ওষুধ সঙ্গে রাখুন।

Anonymous Answered question October 10, 2023
Close
Language »